মানবতার দায়
একদিকে মানবতা অন্য দিকে ভয়াবহ বাস্তবতা!
আন্তর্জাতিক
মিডিয়া থেকে ইস্যুটি হারিয়ে যেতে হয়তো আর বেশি দিন লাগবে না। চীন এবং
রাশিয়া দুই পরাশক্তি মায়ানমারের পক্ষে ঢাল হয়ে দারিয়েছে। অন্য দুই পরাশক্তি
ভারত ও আমেরিকা ও নিরব। আর নীরবতা সম্মতির লক্ষণ। সম্মতিটা কিন্তু
রোহিঙ্গাদের পক্ষে অবশ্যই নয়। আরেকটা ট্রিলিয়ন ডলারের গাধা রাষ্ট্র আছে তা
হল সৌদিআরব! আল্লাহ তাদের শুধু ধনসম্পত্তি ই দিয়েছে কোনো বুদ্ধিই দেয়নাই।
আমেরিকা যে তাদের কিভাবে ব্যবহার করে তা তারা বুজতেই পারেনা! অর্থাৎ গোটা
দুনিয়া সুচি প্রেমে মগ্ন। তাহলে এখন লজিকেলি দারালো এই যে রোহিঙ্গাদের পাশে
কেউ নেয়। বোঝাটা যে বাংলাদেশের ঘাড়ে এসে পরবে তা তো ৫০ বছরের ইতিহাস থেকেই
অনুমান করাই গেছিলো। আমরা বাঙ্গালীরা অনেক বেশি আন্তরিক এবং ১৯৭১ সালে আমাদের
সাথে এরকম মানবেতর ঘটনা ঘটেছিলো তাই আমরা তাদের সাময়িক আশ্রয় দেয়ার জন্য
স্বাদরে গ্রহন করেছি। আমরা কিন্তু ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে আমাদের অবস্থার
পরিবর্তন করেছিলাম। কিন্তু রোহিঙ্গাদের মধ্যে সেরকম কোনো চিন্তা ভাবনাই
নাই! বরং প্রতিবাদ কারি যে কয়েকটা বাহিনী আছে তাদের কেউ এই রোহিজ্ঞারা ঘৃণা
করে!
বিশ্ব নেতারা বাংলাদেশকে বলছে "যত ত্রান লাগে দিবো! আপনারা তাদের দেখভাল করুন"। কিন্তু তারা ত্রান কতদিন দিবে? ২ মাস,৫ মাস না ১ বছর? ত্রান
দিতে হলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম দিতে হবে হবে। তা কি পারে তারা? তারপর কি
করবে বাংলাদেশ? সে প্রশ্নের উত্তর মারাত্মক। জাতিসংঘ নামে একটা পঙ্গু
আন্তর্জাতিক সংস্থান আছে যারা বলতেছে বর্ডার খুলে দিন,কিন্তু তার পর কি তার
উত্তর কি তারা দিতে পারবে? না পারবে না। কারন তারা জানে তাদের কথা কোনো
মূল্য দেয়না ৯৯% রাষ্ট্র। অন্য দিকে ইউনিসেফ বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য
১৩০০ স্কুল তৈরি করতে যাচ্ছে (link here)। তার মানে তারাও কি রোহিজ্ঞাদের বাংলাদেশে স্থায়িভাবে বসবাসের সুযোগ করে
দিতে চাচ্ছে? আমরা আন্তরিক ও মানবতা সম্পন্ন জাতি কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না
আমাদের ইকোনোমি ভালোনা । আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমাদের আয়তনদের তুলোনায়
জনসংখ্যা ২ গুনের ও বেশি! তার উপর এই বাড়তি ১৪ লাখের ভার বাংলাদেশ বইতে
পারবে কিনা তা আমার জানা নাই। অন্যদিকে রোহিঙ্গারা জন্ম নিয়ন্ত্রনে
বিশ্বাসী নয়। দুই বড় শরণার্থী ক্যাম্পে দৈনিক ১৫০ শিশু জন্ম নিচ্ছে (
Jamuna TV). আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যে তার হার কি হারে বাড়বে তা বলা
বাহুল্য।
যারা কয়েক বছর যাবত বসবাস করে আসছে তাদের খোঁজ নিয়ে জানা যায় তাদের সন্তান সংখ্যা ১৪-১৮ জন পর্যন্ত আছে!
আর
সবচেয়ে বড় সমস্যা হবে তখন, যখন তারা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পরবে। সেনাবাহিনী
তো আজীবন তাদের পাহারা দিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা বাঙ্গালীরাই ঠিক মত
দেশপ্রেম ধরে রাখতে পারছি না আর তারা তো এদেশের নাগরিক ই না। ভালবাসা তা
আসবে কোথায় থেকে। ইয়াবা সমস্যা তো আছেই। শরণার্থী দের কিন্তু কোনো রকম চেকিং
হয়না এর মধ্যে যে খারাপ শরণার্থী ইয়াবার ব্যবসায়ী রুপে ঢুকছে না বা ঢুকবে
না তার তো কেউ নিশ্চয়তা নাই। আর তাদের হারানোর কিছু নাই, ক্ষুধায় জর্জরিত।
আর খালি পেটে নিতি মেনে চলা যায়না। তাই তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত
করতে কোন রকেট সাইন্স জানার দরকার নাই।
তাই
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রানালয়ের অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে
মানবতা ও বাস্তবতা কে বিবেচনায় রেখে। তা না হলে অবস্থা হবে ভয়াবহ।


No comments